• ৫ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

By Election

রাজ্য

নন্দীগ্রামের পর রেজিনগরেও বিরাট নাটক! ভোটে না লড়ার ঘোষণার পর তড়িঘড়ি কেন অবস্থান বদল মমতা ঘনিষ্ঠ রবিউল আলমের?

নন্দীগ্রামের পর রেজিনগরেও কি প্রার্থীহীন হতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির? শনিবার সকাল থেকে এই প্রশ্ন ঘিরে শুরু হয় জল্পনা। প্রথমে মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অবস্থান বদল করলেন রেজিনগরে মমতা গোষ্ঠীর তৃণমূল প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি।শনিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রবিউল জানান, অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নির্বাচনী প্রতীক ভোটারদের কাছে পরিচিত করে তোলা কঠিন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেই তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানান। তাঁর অভিযোগ, কর্মীদের মাঠে নামানো যাচ্ছে না। নির্বাচনে প্রতীকের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।রবিউলের কথায়, নতুন নির্বাচনী প্রতীক অল্প সময়ের মধ্যে ভোটারদের কাছে পরিচিত করে তোলা কঠিন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেই মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতিমধ্যে আমার সিদ্ধান্তের কথা নেত্রীকে জানিয়েছি। কর্মীদের মাঠে-ময়দানে নামানো যাচ্ছে না। সিম্বল একটা বড় ফ্যাক্টর।বেলডাঙা থানায় যাওয়ার পর সিদ্ধান্ত বদলতবে বেলা বাড়তেই বদলে যায় পরিস্থিতি। রবিউল জানান, একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। এরপর তিনি বেলডাঙা থানায় যান। সেখানে নিরাপত্তার আশ্বাস পাওয়ার পর ফের নির্বাচনে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।রবিউলের বক্তব্য, পাশে মাত্র ১০ জন কর্মী থাকলেও তিনি ভোটের লড়াই চালিয়ে যাবেন। নির্বাচনী প্রচারেও নামবেন বলে জানিয়েছেন রেজিনগরের এই প্রার্থী। ফলে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে রেজিনগরকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নাটকীয় পরিস্থিতি।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতার মনোনয়ন প্রত্যাহার, গ্রেফতার মিলন প্রধানএর আগে শুক্রবার নন্দীগ্রামে মমতা গোষ্ঠীর প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর তাঁর এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়। পরে নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এরপরই ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলন সংক্রান্ত একটি মামলায় গ্রেফতার হন মিলন প্রধান। তাঁর গ্রেফতারিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে অভিযোগ করেছে কংগ্রেস।নতুন নাম ও প্রতীক ঘিরে বদলেছে সমীকরণতৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর থেকেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। নতুন প্রতীক অল্প সময়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সমস্যা নিয়ে রবিউলের মন্তব্যও সেই প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এখন রবিউল আলম চৌধুরী শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ময়দানে থাকেন কি না, এবং প্রচারে দলের কর্মীরা কতটা সক্রিয় হন, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। পাশাপাশি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ উপনির্বাচনের সমীকরণে কী প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও চলছে জল্পনা।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজনীতি

নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা বাম-কংগ্রেসের, কে কোথায়? এখনও প্রার্থী দেয়নি বিজেপি-তৃণমূল

সামনেই রাজ্যে দুর্গাপুজো। তার আগে রাজ্যে ফের ভোটের দামামা। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই জমে উঠছে রাজনৈতিক লড়াই। ইতিমধ্যেই দুই কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। রেজিনগরে প্রার্থী দিয়েছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টিও। তবে এখনও বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ঘোষণা বাকি।বামফ্রন্ট নন্দীগ্রামে সিপিআই-এর শান্তিগোপাল গিরিকে প্রার্থী করা হয়েছে। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে সিপিএমের হয়ে লড়বেন আইনজীবী সৈঈদ আসাদ আলি। শনিবার বামফ্রন্ট এই দুই নাম ঘোষণা করে। ইতিমধ্যে কংগ্রেসও ওই দুই বিধানসভা কেন্দ্রে তাদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। রেজিনগরে দলের প্রার্থী মহম্মদ আবদুল্লাহিল কাফি। নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের হয়ে লড়বেন মিলন প্রধান। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে এই দুই প্রার্থীর নাম অনুমোদন করেছেন বলে দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে। আরও পড়ুনঃ রবিবার মেট্টো চলাচল কোন দিকে কতক্ষণ বন্ধ থাকবে? অসুবিধায় না পড়তে এই খবর আগে পড়ুন অন্যদিকে রেজিনগরে আগেই প্রার্থী দিয়েছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টি। প্রাক্তন বিধায়ক তথা দলের প্রধান হুমায়ুন কবীরের ছেলে গোলাম নবি আজাদ এই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন এবং ইতিমধ্যেই মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এই কেন্দ্রেই বাবরি মসজিদ নির্মানের কাজ করছেন হুমায়ুন কবির।তবে এখনও পর্যন্ত বিজেপি দুই কেন্দ্রেই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। যদিও সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম নিয়ে দলের অন্দরে আলোচনা চলছে এবং তালিকা দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। নন্দীগ্রামে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে একাধিক স্থানীয় নেতার নাম উঠে এসেছে। আরও পড়ুনঃ লাউয়ের গুণ জানলে চমকে যাবেন! শিশু থেকে বয়স্ক, কেন সবার পাতে থাকা উচিত এই সবজি? তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে দুই শিবিরের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে টানাপোড়েন চলছে। গত কাল, দিল্লিতে তৃণমূলের দুই শিবিরই দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনে হাজির হয়েছিল। প্রতীক নিয়ে এখনও পর্যন্ত কমিশন কোনও ফয়সালা করেনি। ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর, দুই কেন্দ্রেই তৃণমূলের চূড়ান্ত প্রার্থী এখনও ঘোষণা হয়নি।ফলে আপাতত প্রার্থী তালিকায় এগিয়ে বাম-কংগ্রেস এবং রেজিনগরে আম জনতা উন্নয়ন পার্টি। বিজেপি ও তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণার পরই দুই কেন্দ্রের লড়াইয়ের পূর্ণ ছবি স্পষ্ট হবে। কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৬ অক্টোবর ভোটগ্রহণ এবং ৯ অক্টোবর ফল ঘোষণা হওয়ার কথা।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
দেশ

অন্যকে জেতানোর কারিগর এবার নিজেই জিতলেন! বাঁকিপুরে প্রশান্ত কিশোরের ঐতিহাসিক চমক

অন্যকে নির্বাচনে জেতানোর কৌশল তৈরি করেই এতদিন পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। এবার নিজেই ভোটে লড়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে দীর্ঘ একত্রিশ বছর ধরে বিজেপির দখলে থাকা আসন ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবার বিধায়ক হলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর জয়ের হাত ধরেই প্রথমবার বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল জন সুরাজ।গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বত্রিশ দফা গণনা শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন চৌষট্টি হাজার একশো একান্ন ভোট। বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমার পেয়েছেন চুয়াল্লিশ হাজার আটশো সাতাশ ভোট। ফলে উনিশ হাজার তিনশো চব্বিশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন প্রশান্ত কিশোর। আরজেডি প্রার্থী রেখা কুমারী চৌদ্দ হাজার দুইশো তিয়াত্তর ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।জয়ের পর বাঁকিপুরের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর দাবি, এই ফলের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ এমন নেতৃত্বের পক্ষেই মত দিয়েছেন, যিনি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের উন্নতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।জন সুরাজের নেতাদের দাবি, তরুণ ভোটারদের সমর্থন তাদের সাফল্যের অন্যতম কারণ। যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ভোটের আগে বিহারে বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষা নিয়ে বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সেই কারণেই তরুণ ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে জোর আলোচনা চলছিল।বাঁকিপুর দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। উনিশশো পঁচানব্বই সাল থেকে এই আসন বিজেপির দখলে ছিল। এখান থেকেই একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নিতিন নবীন। পরে তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দেন। সেই শূন্য আসনেই অনুষ্ঠিত হয় এই উপনির্বাচন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দুই হাজার পঁচিশ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ একটি আসনও জিততে পারেনি। সেই নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোর নিজেও প্রার্থী হননি। মাত্র এক বছরের মধ্যে পটনার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে জয় পেয়ে দলকে প্রথমবারের মতো বিধানসভায় পৌঁছে দিলেন তিনি।জন সুরাজের সভাপতি মনোজ ভারতী বলেন, বাঁকিপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁর দাবি, নীরব ভোটারদের বড় অংশ জন সুরাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এই ফল বিহারের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিল।অন্যদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে জনগণের সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়কে সম্মান জানানোই সকলের দায়িত্ব।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
রাজ্য

লোকসভা নির্বাচনের রিপিট টেলিকাস্ট, অশান্তি এড়ানো গেল না উপনির্বাচনেও

গাদপুকুরিয়া সিনিয়র মাদ্রাসায় ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ তুলেছেন বাগদার বিজেপি প্রার্থী বিনয় কুমার বিশ্বাস। এই নিয়েই তোলপাড়। বিজেপি প্রার্থীর ওপর হামলা থেকে গাড়ি ভাঙচুর সবই হল বুথের সামনে। ভোটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেন শিকেয় উঠেছে। বুথের সামনেই সর্বত্র গিজগিজ করছে, মানুষের জটলা বা ভিড়। তাঁদের সরানোর তেমন উদ্যোগ চোখে পড়ল না। এবারের উপনির্বাচনেও অশান্তি আটকানো গেল না। ৭০ কোম্পানী কেন্দ্রীয় বাহিনী কোনও কাজেই এল না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললো খোদ বিজেপি। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে গেরুয়া শিবির।এদিকে সারা দিন ধরেই বিজেপি প্রার্থীরা বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের। কলকাতার মানিকতলা থেকে রায়গঞ্জ। অন্যদিকে বাগদা বা রাণাঘাট দক্ষিণ কেন্দ্র। রাজনৈতিক মহলের মতে, এ এক নয়া নির্বাচনী কৌশল তৃণমূল কংগ্রেসের। ভোটের সময় একসঙ্গে শয়ে শয়ে লোকের ভিড় নিয়েই রাজনৈতিক মহল প্রশ্ন তুলেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী বা রাজ্য পুলিশ ঘটনাস্থলে থাকলেও কোনও ব্যবস্থা নিতে পারেনি। অভিযোগ, দিনভর হেনস্থা হতে হয়েছে বিজেপি প্রার্থীদের।লোকসভা নির্বাচনের রিপিট টেলিকাস্ট হল আজকের উপনির্বাচনে। বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে বিক্ষোভ হয়েছিল চলতি বছরের লোকসভা নির্বাচনে। আবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে তৃণমূলের সেটিংয়ের অভিযোগও তুলেছিল বিজেপি। এবারও একই কাণ্ড। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, মাত্র কয়েকটা বুথে খুচরো গন্ডগোল হয়েছে। এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এইগুলোকে বড় করে দেখানো হয়েছে। কিন্তু বিরোধীরা দাবি করেছে, মাত্র চার-পাঁচটা বুথে অশান্তির ছবি ধরা পড়েছে ক্যামেরায়। বাকি বুথে ক্যামেরা তো পৌঁছায়নি। আবার বিজেপি দাবি করছে, ওয়ের কাস্টিং মনিটরিং করে কোনও কাজ করছে না নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী তৃণমূলের দালালি করছে বলে বিজেপি প্রার্থীরা অভিযোগও করছে।

জুলাই ১০, ২০২৪
দেশ

ধূপগুড়িতে জয় তৃণমূলের, উচ্ছ্বসিত মমতা গেলেন জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে

জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লি যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী ধূপগুড়ি উপ নির্বাচনে তৃণমূলের জয় প্রসঙ্গে বলেন, আমি ধুপগুড়ির মানুষকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। চা বাগান থেকে রাজবংশী সবাই যেভাবে তৃণমূলকে সমর্থন করেছেন। বিজেপির একটা শক্ত ঘাঁটি। বিজেপির মন্ত্রীরা সবাই ওখানে পড়েছিলেন। উত্তরবঙ্গের বড় জয়। সারা ভারতে নির্বাচন হয়েছে। সেখানে চারটিতে বিরোধী ইন্ডিয়া জোট জয়লাভ করেছে। উত্তর প্রদেশের মত জায়গাতে বিজেপি হেরেছে। ত্রিপুরায় দুটো আসনে জিতেছে বিজেপি। সেখানে কাউকে লড়তেই দেয়নি। ৯০ শতাংশ ভোটে জয়লাভ করেছে। ইন্ডিয়া জোটের বড় জয় এটা।ধূপগুড়ির তৃণমূল প্রার্থী নির্মলচন্দ্র রায়ের প্রাপ্ত ভোট- ৯৬,৯৬১। বিজেপির তাপসী রায় পেয়েছেন ৯২,৬৪৮। বাং-কংগ্রেসের জোট প্রার্থী পেয়েছেন১৩,৬৬৬ ভোট। তৃণমূল প্রার্থী ভোট জিতেছেন ৪,৩১৩টি ভোটে। শতাংশের বিচারে তৃণমূল পেয়েছে ৪৬ শতাংশের সামান্য বেশি ভোট।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজনীতি

ধূপগুড়ি উপনির্বাচনের প্রচার সভায় বিরাট প্রতিশ্রুতি অভিষেকের, সমালোচনা বিরোধীদের

ইন্ডিয়া জোট গঠন প্রক্রিয়ার মধ্যেই জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার চলছে। এখানে তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি ও কংগ্রেস সমর্থিত সিপিএম প্রার্থীর মধ্যে মূল লড়াই। আগামী ৫ই সেপ্টেম্বর ধুপগুড়ি বিধানসভার উপনির্বাচন। রবিবারই শেষ হচ্ছে প্রচারের মেয়াদ। শুক্রবার সেখানে জনসভায় বক্তব্য রেখেছেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ও সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দলের হয়ে লাগাতার প্রচার করছেন উত্তরবঙ্গের এই বিধানসভার উপনির্বাচনে। শনিবার ধুপগুড়িতে প্রচার করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই ধুপগুড়ি মহকুমা হবে বলে প্রচার মঞ্চ থেকে ধুপগুড়িবাসীকে প্রতিশ্রুতি দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সাফ ঘোষণা, এর সঙ্গে মহকুমা হাসপাতালও হয়ে যাবে।বক্তব্য রাখার সময় স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানতে চান, আপনাদের কি দাবি রয়েছে। তখন ধূপগুড়িকে পৃথক মহকুমা করার দাবি ওঠে উপস্থিতিদের মধ্য থেকে। প্রচার মঞ্চেই সেই দাবি মেনে নেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। অভিষেক বলেন, আমি কথা দিয়ে কথা রাখি। আমি কথা রাখার ছেলে। আমি দাবি শুনে বলতে পারতাম, ১ বছর, দেড় বছর, ২ বছর পর হবে। দেখছি দেখবো বলতে পারতাম। বলতে পারতাম মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানাবো। কিন্তু আমি নিজের কাঁধে দায়িত্ব নিচ্ছি। আমি প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছি যে ধুপগুড়ি মহকুমা হবে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই ধুপগুড়ি মহকুমা হিসাবে ঘোষণা হবে। এখন থেকে সবুজ আবির খেলতে শুরু করুন।ভোটমুখী ধুপগুড়িতে অভিষেকের এই ঘোষণার পরই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা। দলের রাজ্য মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, প্রশাসনের অংশ নন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এটা তাঁর সংসদীয় এলাকাও নয়। কিন্তু তাও তিনি প্রশাসনিক প্রতিশ্রুতি দিলেন কী করে? কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী বলেন, অভিষেক এই ঘোষণা করে নিজের পিসি তথা মুখ্যমন্ত্রীকেই চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করালেন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩
রাজনীতি

সাগরদিঘিতে কি উলোটপূরাণ? ২১ হাজার ভোটে এগিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী

২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনের পর কোনও উপনির্বাচনে তৃণমূল ছাড়া কোনও বিরোধী দল এগিয়ে থাকেনি। এই প্রথম সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম রাউন্ডের গণনাতেই ৫১৫ ভোটে এগিয়ে গিয়েছিল কংগ্রেস প্রার্থী। এখন এগিয়ে ২১ হাজার ভোটে। এখানে বামেদের সমর্থনে লড়াই করছে কংগ্রেস। এই বিধানসভা কেন্দ্রে ২০১১, ২০১৬ ও ২০২১ নির্বাচনে জয় পেয়েছিল তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত সাহা। তাঁর অকাল প্রয়াণে এখানে ভোট হয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ৫০ হাজারের বেশি রেকর্ড ভোটে জয়ী হয়েছিল। যদিও ২০১১ বিধনসভা নির্বাচনে নামমাত্র ভোটে জয় পেয়েছিল তৃণমূল। ২০১৬-তে খুব বেশি জয়ের মার্জিন ছিল না। তবে এবার কংগ্রেস প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস এই কেন্দ্র থেকে জয় পেলে বিধানসভায় খরা কাটবে হাত শিবিরের। তবে এখনও গণনা অনেকটা বাকি রয়েছে। এখনই ফলাফল বলা যায় না।

মার্চ ০২, ২০২৩
রাজ্য

উপনির্বাচনের জন্য উচ্চ মাধ্যমিকের সময়সূচিতে ফের বদল

আসানসোল ও বালিগঞ্জে উপনির্বাচনের কারণে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়সূচি ফের বদল করা হল। পরিবর্তিত সূচিতে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হবে ২ থেকে ২৭ এপ্রিল। নির্বাচনের কারণে ৬ থেকে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিকের কোনও পরীক্ষা থাকছে না।উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে বৃহস্পতিবার নবান্নে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু-সহ শিক্ষা দপ্তর ও প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ২ ও ৪ এপ্রিলে প্রথম ও দ্বিতীয় ভাষা এবং ৫ এপ্রিলের বৃত্তিমূলক পরীক্ষা পূর্ব নির্ধারিত সূচি মতই হচ্ছে কিন্তু ৫ তারিখ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে যেসব পরীক্ষা ছিল তা সবই ১৬ তারিখ থেকে হবে।উচ্চমাধ্যমিকের নতুন সূচি অনুযায়ী- ২ এপ্রিল প্রথম ভাষা, ৪ এপ্রিল দ্বিতীয় ভাষা, ৫ এপ্রিল ভোকেশনাল সাবজেক্ট, ১৬ এপ্রিল অঙ্ক, ১৮ এপ্রিল ইকনমিক্স, ১৯ এপ্রিল কমিউন্টার সায়েন্স গ্রুপ, ২০ এপ্রিল কমার্শিয়াল ল গ্রুপ , ২২ এপ্রিল পদার্থ বিদ্যা, ২৩ এপ্রিল স্ট্যাস্টিটিক্স, ২৬ এপ্রিল কেমিস্ট্রি, ২৭ এপ্রিল বায়োলজিক্যাল সায়েন্স গ্রুপের পরীক্ষা হবে। ৩০ এপ্রিল রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা হবে বলেও মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন।উচ্চ মাধ্যমিকের সময়সূচি বারবার বদলানোর জন্য পরীক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার কথা মাথায় রেখে নির্বাচন কমিশনের উপনির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করা উচিৎ ছিল।সদ্য সমাপ্ত পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের সঙ্গে ওই দুই আসনে উপনির্বাচন করা যেত।উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কোনও অসুবিধা না সৃষ্টি করে ২ আসনের উপ-নির্বাচনের প্রচার করতে মুখ্যমন্ত্রী তার সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে আবেদন জানান।

মার্চ ১৭, ২০২২
দেশ

রাজ্যে দুই আসনে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করল কমিশন

রাজ্যে দুই আসনে উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। শনিবার,আসানসোল লোকসভা এবং বালিগঞ্জ বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১২ এপ্রিল, মঙ্গলবার ভোট হবে এই দুই আসনে। গণনা হবে ১৬ এপ্রিল, শনিবার। একই দিনে ছত্রিশগড় বিহার এবং মহারাষ্ট্রের একটি করে বিধানসভা আসনেও ভোট নেওয়া হবে। ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে যাওয়ায় ওই সব এলাকায় এদিন থেকে জারি হয়ে গেল নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধি।২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে আসানসোল থেকে জিতেছিলেন বিজেপির বাবুল সুপ্রিয়। পরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর বাবুল সাংসদ পদ থেকেও ইস্তফা দেন। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তা গ্রহণ করেন। ফলে আসানসোল লোকসভা শূন্য হয়। সেই কেন্দ্রের উপনির্বাচন বকেয়া ছিল।বালিগঞ্জের বিধায়ক ছিলেন প্রবীণ নেতা তথা মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। গত বছর নভেম্বরে কালীপুজোর দিন সন্ধেবেলা তিনি প্রয়াত হন। সুব্রতবাবুর প্রয়াণের কারণে বালিগঞ্জ আসনেও ভোট করতে হত। এদিন বাংলার একটি লোকসভা ও একটি বিধানসভার উপনির্বাচন ঘোষণা করে দিল কমিশন।কমিশন সূত্রে খবর আসানসোলের ১০০% বুথকেই উত্তেজনা প্রবন বুথ বলেই চিহ্নিত করা হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২২
রাজনীতি

Byelection-TMC: রাজ্যের চার কেন্দ্রেই জয়ী তৃণমূল, উন্নয়নের বার্তা মমতার

চার কেন্দ্রেই জয়ী তৃণমূল । সকাল থেকেই জয়ের আভাস পাওয়া গিয়েছিল। বেলা বাড়তেই একে একে সামনে আসে চার কেন্দ্রের ফলাফল। দিনহাটা, গোসাবা, শান্তিপুর ও খড়হহে তৃণমূলের জয়জয়কার। আর এই ফলাফলকে মানুষের জয় বলেই আখ্যা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জয়ী প্রার্থীদের ধন্যবাদ দেওয়ার পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেছেন, আসলে বাংলার মানুষ ষড়ষন্ত্র আর ঘৃণার রাজনীতি নয়, উন্নয়নকেই ভরসা করে।গোসাবা, খড়দহ, শান্তিপুর ও দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রে গত ৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন হয়। মঙ্গলবার এই চার কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা হল। এর মধ্যে নিঃসন্দেহে পাখির চোখ ছিল খড়দহ। কারণ এখানে রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় প্রার্থী হন। যিনি ভবানীপুরে একুশের ভোটে জয়ী হলেও পরে ইস্তফা দেন। এ দিন জয়ী হয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, একই রকম গুরুত্বপূর্ণ ছিল দিনহাটা ও শান্তিপুরের ফলাফলও। এই দুই আসনে একুশের ভোটে জয়ী হয় বিজেপি। তবে ভোটে লড়েছিলেন দুই সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক ও জগন্নাথ সরকার। পরে দল তাঁদের সাংসদ হিসাবেই রেখে দেয়। দুই আসনেই এ দিন জয়ী হয়েছে তৃণমূল। গোসাবাতেও দেড় লক্ষের বেশি ব্যবধানে জয়ী ঘাসফুলের প্রার্থী সুব্রত মণ্ডল।উপনির্বাচনে রাজ্যের চারটি বিধানসভা আসনেই পরাজিত বিজেপি। এর মধ্যে দিনহাটা এবং শান্তিপুর আসন হাতছাড়া হয়েছে তাঁদের। তবে শান্তিপুর হাতছাড়া হলেও ব্যবধানের নিরিখে এই কেন্দ্রেই বিজেপি-র ফল সবথেকে ভাল বলা যায়। দিনহাটায় এবং গোসাবায় শাসকদল জিতেছে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে। খড়দহেও ব্যবধান ৯৩ হাজারের বেশি। এই তিন কেন্দ্রেই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে বিজেপি প্রার্থীর। ব্যতিক্রম কেবল শান্তিপুর। সেখানে জামানত রক্ষা করতে সমর্থ হয়েছেন রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের প্রার্থী।My heartiest congratulations to all the four winning candidates!This victory is peoples victory, as it shows how Bengal will always choose development and unity over propaganda and hate politics. With peoples blessings, we promise to continue taking Bengal to greater heights! Mamata Banerjee (@MamataOfficial) November 2, 2021এ দিন ফল প্রকাশের পর মমতা টুইটে অভিনন্দন জানান চার প্রার্থীকে। তিনি লিখেছেন, এটা মানুষের জয়। এই জয় বুঝিয়ে দিচ্ছে কী ভাবে বাংলার মানুষ ষড়যন্ত্র আর ঘৃণার রাজনীতিকে উপেক্ষা করে উন্নয়ন আর ঐক্যকেই বেছে নিয়েছেন। বাংলাকে উন্নয়নের নয়া উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন মমতা।A cracker free Diwali in true sense. Wishing folks at @BJP4India a very Happy Diwali!💥 Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) November 2, 2021অন্যদিকে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধীদের কটাক্ষ করে টুইটে বিজেপিকে দিপাবলীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, সত্যিকারের বাজি-হীন দিপাবলী। একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে কর্মীদের বিজয় মিছিল না করার বার্তা দিয়েছেন তিনি। কর্মীদের উদ্দেশে তিনি জানিয়েছেন, যাতে সব এলাকায় শান্তি বজায় থাকে। বিজয় মিছিল যাতে না করা হয়, বা কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে না তৈরি হয়, সেই বার্তাই দিয়েছেন তিনি।

নভেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

By Election: চলছে গণনা, চার কেন্দ্রেই এগিয়ে তৃণমূল, শুরু উৎসব

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে বিধানসভা উপনির্বাচনের ৪ কেন্দ্রের গণনা। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট। তার পর শুরু হয়েছে ইভিএম গণনা। প্রাথমিক যা ট্রেন্ড, তাতে সর্বত্রই এগিয়ে তৃণমূল। সবথেকে তাৎপর্যপূর্ণ খড়দহ আসনটি। এখানেও চতুর্থ রাউন্ড শেষে ২৩ হাজার ৮১০ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।খড়দহ কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পর পর তিনবার ভোটে জেতা নেতা। এবারও ২৮ হাজার ভোটে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তিনি। একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও মুখ রক্ষার লড়াই। কারণ, তাঁর জন্যই বর্ষীয়ান নেতাকে জেতা আসন ছেড়ে লড়তে যেতে হয়েছে অন্যত্র। যদিও মঙ্গলবার সকাল থেকে ঝোড়ো ব্যাটিং শোভনদেবের।গণনার প্রাথমিক যে ট্রেন্ড তাতে গোসাবা, দিনহাটা, শান্তিপুরেও অনেকটাই পিছিয়ে বিরোধীরা। গোসাবায় ১৩ রাউন্ড গণনা শেষে ১১৭০৩৬ ভোটে এগিয়ে তৃণমূলের সুব্রত মণ্ডল। ঝোড়ো ব্যাটিং সুব্রতর। দিনহাটায় ১১ রাউন্ড গণনা শেষে তৃণমূলের উদয়ন গুহ এগিয়ে ৯১০৬৪ ভোটে। চার রাউন্ড শেষে শান্তিপুরে ১২৯৮১ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী।শান্তিপুরে ১৯৯৭৫ ভোটে এগিয়েবাকি তিন কেন্দ্রের তুলনায় দেরিতে শুরু হয়েছে শান্তিপুরের গণনা। সপ্তম রাউন্ড শেষে সেখানে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামী। তিনি ১ লক্ষ ১৭ হাজার ৩৬ ভোটে পিছনে ফেলেছেন বিজেপি প্রার্থী নিরঞ্জন বিশ্বাসকে। গোসাবায় এগিয়ে ১৩৩৩১৮ ভোটে১৪ রাউন্ড শেষে ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৩১৮ ভোটে গোসাবায় এগিয়ে গেল তৃণমূল। আসন ধরে রাখার পাশাপাশি জয়ের ব্যবধান কয়েক গুণ বাড়িয়ে নিল রাজ্যের শাসকদল।দিনহাটায় এগিয়ে উদয়ন গুহগণনায় রাউন্ড যত বাড়ছে, তত বাড়ছে তৃণমূলের ব্যবধান। ১৩ রাউন্ড গণনা শেষ হতে দেখা গেল, ১ লক্ষ ১২ হাজার ৭৪১ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন উদয়ন গুহ । মাসখানেক আগেই এই কেন্দ্রে ৫৭ ভোটে হারতে হয়েছিল তাঁকে। সেই ব্যবধান পৌঁছে গেল লক্ষাধিকে।

নভেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

By Election: আপাতত শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে চার কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ

শান্তিপূর্ণভাবে কিছুটা ধীর লয়েই চলছে রাজ্যের চার কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ। শান্তিপুর এবং গোসাবায় বেলা ১১টা অবধি ৩০ শতাংশের বেশি ভোট পড়লেও দিনহাটা এবং খড়দহে তা ৩০ শতাংশের কম। বেলা ১১টা চার কেন্দ্রে ভোটের হার যথাক্রমে-খড়দহ: ২৩.৬০ শতাংশশান্তিপুর: ৩২.৩১ শতাংশগোসাবা: ৩৩.৮৭ শতাংশদিনহাটা: ২৮.৭৩ শতাংশএদিকে খড়দহ বিধানসভার ৪৯ নম্বর বুথের ভিতরে ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সিআরপিএফ-এ বিরুদ্ধে। অভিযোগ তৃণমূলের। খড়দহের ১০৫ এবং ১০৫এ নম্বর বুথে মোবাইল নিয়ে ভোটারদের বুথে ঢুকতে সিআরপিএফ বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের।অন্যদিকে গোসাবার ৪৮এ এবং ৪৯এ বুথে সিআরপিএফ অযথা ভোটারদের বিরক্ত করছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। দিনহাটার ২৯৬ নম্বর বুথেও সিআরপিএফ-এ বিরুদ্ধে ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে রাজ্যের শাসকদল।শনিবার সকালে ভোট দিয়েছেন প্রয়াত তৃণমূল নেতা কাজল সিন্হার স্ত্রী নন্দিতা সিন্হা। গত নির্বাচনে খড়দহ থেকে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন কাজল। কিন্তু ভোটের ফলপ্রকাশের আগেই কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় কাজলের। ২ মে ফল প্রকাশের দিন দেখা যায় ওই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শীলভদ্র দত্তকে ২৮ হাজার ১৪০ ভোটে পরাজিত করেছেন কাজল। কিন্তু তিনি বেঁচে না থাকায় ফের ভোট হচ্ছে এই কেন্দ্রে। এ বারের উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
রাজ্য

By Poll: শুরু ৪ কেন্দ্রের উপনির্বাচন

ভবানীপুরের পর এ বার বাকি চার কেন্দ্রের উপনির্বাচন। কোচবিহারের দিনহাটা, নদিয়ার শান্তিপুর, উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা আসনে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটগ্রহণ পর্ব। এর মধ্যে খড়দহ ও গোসাবায় তৃণমূল প্রার্থী কাজল সিনহা ও জয়ন্ত নস্কর জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু ফল প্রকাশের আগেই মৃত্যু হয় কাজলের। গোসাবার বিধায়ক মারা যান ফলপ্রকাশের পরে। অন্যদিকে, দিনহাটা ও শান্তিপুরে জিতেছিলেন বিজেপি-র নিশীথ প্রামাণিক ও জগন্নাথ সরকার। দুজনেই লোকসভার সাংসদ। বিধানসভা ভোটে জেতার পর তাঁরা বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়ে সাংসদই থেকে যান। এই চার কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে শনিবার। মঙ্গলবার অর্থাৎ ২ নভেম্বর চার কেন্দ্রেরই ফল ঘোষণা।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek-Dinhata: দিনহাটায় দাঁড়িয়ে গোয়া জয়ের ডাক অভিষেকের

তিন মাসের মধ্যে গোয়ায় সরকার গঠন করবে তৃণমূল। দিনহাটায় উপনির্বাচনের প্রচার মঞ্চ থেকে এমনই হুংকার দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী দিনে তৃণমূলের সংগঠনকে সর্বভারতীয় স্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার রূপেরখাও তুলে ধরেন অভিষেক। পাশাপাশি বিজেপি-কে নিশানা করে দেগেছেন একের পর এক তোপ। কোচবিহার থেকে বিজেপি-কে উৎখাতের ডাক দিয়েছেন সোমবার দুপুরে শিলিগুড়িতে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনাচক্রে, একই সময়ে দিনহাটায় ভোট প্রচার সারছিলেন অভিষেক। দিনহাটার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহের সমর্থনে জনসভা করেন তিনি। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে সংগঠনকে আরও কয়েকটি রাজ্যে ছড়িয়ে দেওয়া তৃণমূলের পাখির চোখ। সেই ইচ্ছার কথা জনসভায় জানান অভিষেক। বলেন, দিনহাটায় উদয়ন গুহ নন, প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশের মানুষ এই ফলের দিকে তাকিয়ে আছেন। উপনির্বাচনের ফল ৪-০ হবে। তবে জয়ের ব্যবধান বাড়াতে হবে। কোচবিহার থেকে বিজেপি-কে উৎখাত করতে হবে।আমরা ত্রিপুরায় গিয়েছি। গোয়াতেও ঢুকেছি। আরও ৫-৭টা রাজ্যে যাব। এটা কী মাস? অক্টোবর। সামনে নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি। হাতে তিন মাস হাতে সময় আছে। গোয়ায় বিধানসভা আসন ৪০টি। দল আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে। তিন মাসে গোয়ায় জোড়াফুল ফুটবে। ওখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল সরকার প্রতিষ্ঠা করবে। আপনারা লিখে নিন। এর পর ত্রিপুরা, মেঘালয়, অসম এবং উত্তরপ্রদেশ-সহ একাধিক রাজ্যেও আমরা যাব। তার কারণ বাংলা পথ দেখিয়েছে। দেশকে পথ দেখাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কথায়, দেশে বহু রাজনৈতিক দল আছে। বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম, যদিও খাতায়-কলমে সর্বভারতীয় দল। মাঠে ময়দানে নেই, হাওয়া...জিরো। এনসিপি জাতীয় দল। তেমন তৃণমূলও সর্বভারতীয় দল। কিন্তু এদের মধ্যে পার্থক্য কী? যত রাজনৈতিক দল আছে সকলকে ইডি, সিবিআই দিয়ে একটু ধমকে চমকে ঘরে ঢুকিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তৃণমূল বিশুদ্ধ লোহা। যত তাতাবে, যত পোড়াবে, যত প্রহার করবে, তত বিশুদ্ধ হবে। আমাকেও তো কত ধমকেছে, চমকেছে। দিল্লিতে ৯ ঘণ্টা জেরা করেছে। ভেবেছে কংগ্রেসের মতো বসে যাবে। কিন্তু আমরা বিশ্বাসঘাতকের দল নই।বিজেপি-কে ঝাঁঝালো আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, গোসাবা এবং খড়দহে উপনির্বাচন হচ্ছে তার কারণ তৃণমূলের সৈনিকরা ওই কেন্দ্রে জিতেছিলেন। কিন্তু মানুষের জন্য কাজ করতে গিয়ে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। কিন্তু শান্তিপুর এবং দিনহাটায় উপনির্বাচন হচ্ছে কেউ সাংসদ থেকে মন্ত্রী হবেন বলে, নিজেদের রাজনৈতিক লালসা চরিতার্থ করবেন বলে মানুষের ভালবাসাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ওঁরা সাংসদ হবেন, মন্ত্রী হবেন। তা হলে দাঁড়ালেন কেন? ভেবেছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। ক্ষমতায় এলে মন্ত্রী হবেন।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek Rally: গোসাবা ও খড়দহে উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে লোকসভার রাস্তা মসৃণ করা শুরু অভিষেকের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেশনেত্রী হিসেবে অভিহিত করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।আগামী ৩০ অক্টোবর গোসাবা, খড়দহ, শান্তিপুর এবং দিনহাটায় উপনির্বাচন। তার মধ্যে গোসাবা ও খড়দহে জয়ী প্রার্থীর মৃত্যুতে এবং শান্তিপুর ও দিনহাটায় জয়ী প্রার্থীরা বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা দেওয়ায় উপনির্বাচন হচ্ছে। এই আবহে শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবায় দলীয় প্রার্থী সুব্রত মণ্ডলের সমর্থনে জনসভা করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক।আরও পড়ুনঃ ভয় ধরিয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু ৬৬৬ জনেরঅভিষেক বলেন, গোটা ভারত আজ তাকিয়ে দেশনেত্রী মমতার দিকে। কারণ একমাত্র তিনি-ই পারেন বিজেপি-কে হারিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে। অভিষেক বলেন, যেখানে গণতন্ত্রকে ভূলুণ্ঠিত করছে বিজেপি, সেখানেই প্রতিবাদের ধ্বজা ধরে এগিয়ে যাচ্ছেন মমতা। গোটা ভারত আজ দেশনেত্রী মমতার দিকে তাকিয়ে। গোয়া ও ত্রিপুরায় সংগঠন কাজ শুরু করে দিয়েছে। তাঁর ঘোষণা, আগামী ৩ মাসের মধ্যে গোয়া এবং দেড় বছরের মধ্যে ত্রিপুরায় তৃণমূলের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক সরকার গঠন হবে। বিজেপি-র ক্ষমতা থাকলে আটকে দেখাক। পাশাপাশি বিজেপি নেতৃত্বকেও আক্রমণ করতে ছাড়েননি অভিষেক। বিজেপি-র শীর্ষ নেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নাম করে তাঁর কটাক্ষ, বিধানসভা ভোটের আগে এখানে এসে বলে গিয়েছিলেন, সুন্দরবনকে আলাদা জেলা করে তার উন্নয়নে ২ লক্ষ কোটি টাকা দেব। আজ যখন আবারও একটা ভোটের সামনে দাঁড়িয়ে গোসাবা, কোথায় গেলেন বিজেপি-র নেতারা? দিল্লি, মধ্যপ্রদেশের নেতাদের কথা না হয় ছেড়ে দিলাম, করোনা বা আম্ফানের সময় বিজেপি-র স্থানীয় নেতাদেরও দেখেছেন কি? এটাই হল তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপি-র পার্থক্য। গত সাত বছর ধরে তৃণমূলই যে বিজেপি-কে হারিয়ে আসছে, সেই দাবি তুলে ধরে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের মূল পার্থক্যও ফের একবার জানিয়ে দেন অভিষেক।পাশাপাশি এদিন খড়দহের সভামঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, দরজা খুলে দিলে দলটাই (বিজেপি) উঠে যাবে। কিন্তু আমরা তা করছি না। আমি দলনেত্রীর পা ধরে অনুরোধ করেছি, কর্মীদের আবেগ সবার আগে। তাদের মনে দুঃখ দিয়ে কাউকে দলে ফেরাবেন না। হ্যাঁ কয়েকজনকে দলে ফিরিয়েছি, কিন্তু এমনি-এমনি নয়। অনেক প্রায়শ্চিত্ত করিয়েই তবে তাদের দলে এনেছি। তা বলে সবাইকে আনব না। আগের তৃণমূলের সঙ্গে এখনকার তৃণমূলের পার্থক্য আছে। সেটা বুঝতে পারছেন তো? পাশাপাশি, তৃণমূলের ভবিষ্যতের ব্লু প্রিন্টও তুলে ধরেন অভিষেক।আরও পড়ুনঃ ৩ দিনের ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে কাশ্মীরে অমিত শাহতৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কথায়, দল আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে আরও ৫ রাজ্যে সংগঠন গড়বে তৃণমূল। ১ বছরের মধ্যে ১২-১৫ রাজ্যে আমাদের ওয়ার্কিং কমিটি থাকবে। যেখানে যেখানে বিজেপি মানুষকে উপেক্ষা করেছে, মানুষকে যন্ত্রণা দিয়েছে, গণতন্ত্র কেড়ে নিয়েছে সেখানেই লড়বে তৃণমূল। অভিষেকের চ্যালেঞ্জ, বিজেপিকে হারাতে পারে একমাত্র তৃণমূল। ত্রিপুরায় গিয়েছি, গোয়াতে গিয়েছি। উত্তরপ্রদেশেও যাব। এদিন নতুন স্লোগানও তোলেন তিনি। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ বলছেন, গোটা দেশ বলছে, দেশ কি নেত্রী ক্যায়সি হো, মমতা দিদি য্যায়সি হো।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Central Force: উপনির্বাচনের বাংলায় ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনে ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। আগেই বলা হয়েছিল ২৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। তবে এবার তা এক লাফে ৫৩ কোম্পানি বাড়িয়ে ৮০ কোম্পানি করা হল।আরও পড়ুনঃ শিষ্য খুনে যাবজ্জীবন সাজা রাম রহিমকেএই ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে দিনহাটা, শান্তিপুর, খড়দহ, ও গোসবা কেন্দ্রের জন্য। এই বাহিনী মোতায়েনের মূল লক্ষ্যই হল নির্বাচনের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা। তবে কোন কেন্দ্রের জন্য কত বাহিনী থাকবে সেটা স্থানীয় জেলা নির্বাচন আধিকারিকের সঙ্গে আলোচনা করেই ঠিক হবে। নির্বাচন কমিশনের তরফে যে বিজ্ঞপ্তি এসেছে, সেখানে বলা হয়েছে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। আগেই ২৭ কোম্পানি বাহিনীর কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার তা আরও ৫৩ কোম্পানি বাড়ানো হল। সিআরপিএফের পাশাপাশি বিএসএফ, এসএসবি, আইটিবিপির জওয়ানরাও থাকবেন।খড়দহে তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির জয় সাহা। এই কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থী দেবজ্যোতি দাসও লড়াই করছেন। দিনহাটায় তৃণমূলের প্রার্থী উদয়ন গুহ। বিজেপির হয়ে লড়বেন অশোক মণ্ডল, বামেদের মুখ ফরওয়ার্ড ব্লকের আব্দুর রউফ। শান্তিপুরে তৃণমূলের প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামী, বিজেপির প্রার্থী নিরঞ্জন বিশ্বাস, সিপিএমের প্রার্থী সৌমেন মাহাতো। গোসাবায় সুব্রত মণ্ডল তৃণমূলের মুখ। বিজেপির প্রতীকে লড়বেন পলাশ রানা, আরএসপির প্রার্থী অনিল চন্দ্র মণ্ডল।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজনীতি

By Election: রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী কারা? ঘোষণা মমতার

ভবানীপুরের ফলপ্রকাশের পরপরই বাকি চার কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। ভবানীপুরে হ্যাটট্রিক করেছেন মমতা। এদিন কালিঘাটে বাড়িরে বাইরে বেরিয়ে এসে সাধারণ মানুষকে অভিনন্দন জানান মুখ্যমন্ত্রী। বাকি চারটি উপনির্বাচেনর মধ্যে তিন কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, শান্তিপুরে প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামী। দিনহাটায় উদয়ন গুহ, খড়দহে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, গোসাবার প্রার্থীর নাম একটু পড়ে ঘোষণা করব। সেখানে দুটো নাম আছে, বাপ্পাদিত্য নস্কর ও সুব্রত মন্ডল। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে তিনি জানিয়ে দেন।ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে মে-এর বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে কৃষিমন্ত্রী করা হয়। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজিত হয়েছিলেন। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই মুখ্যমন্ত্রী হন। ৬ মাসের মধ্যে মমতাকে বিধায়ক হতে হবে সেই কারণে ভবানীপুর আসন থেকে পদত্যাগ করেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তারপর সেখানে উপনির্বাচন হয়। আর দিনহাটার তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামানিকের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। নিশীথ প্রামানিক পদত্যাগ করায় দিনহাটা আসনটি খালি হয়। শান্তিপুর থেকে পদত্যাগ করেন সাংসদ জগন্নাথ সরকার। গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্করের মৃত্যুতে আসনি খালি হয়।এদিকে এদিন ভবানীপুর, জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জের নির্বাচনে জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। স্বভাবতই মনোবল আরও বেড়ে গিয়েছে ঘাসফুল শিবিরের। বিধানসভা নির্বাচনে ২১৩টি আসন পেয়ে তৃতীয় বারের জন্য রাজ্যে ক্ষমতা পায় তৃণমূল কংগ্রেস। বাকি চার বিধানসভা কেন্দ্রেও যে এখনও তৃণমূল বাকিদের থেকে অনেকটা এগিয়ে গেল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Bhawanipur By Poll: রাত পোহালেই ভোট, মোতায়েন আরও ২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

একদিকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের আয়োজন, অন্যদিকে প্রতিকূল আবহাওয়ায় প্রত্যেক ভোটদাতাকে নির্বিঘ্নে ভোটদানের ব্যবস্থা করা। এই দুই চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখেই ভবানীপুরে উপনির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন।আগামীকাল ভবানীপুরে ২৮৭ বুথের প্রত্যেকটিতেই আধাসামরিক বাহিনীর নিরাপত্তার পাশাপাশি থাকবে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা এবং সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারি। এমনকী, প্রতিটি কেন্দ্রে নজরদারির জন্য মাইক্রো অবসারভার নিয়োগ করেছে কমিশন। শেষ মুহূর্তে ভবানীপুরের জন্য আরও ২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এর ফলে শুধুমাত্র ওই কেন্দ্রের জন্য মোতায়েন করা মোট কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা হল ৩৫ কোম্পানি। আরও পড়ুনঃ গোয়া টু কালীঘাট, সদলবলে তৃণমূলে যোগ দিলেন ফেলেইরো লুইজিনহোগতকাল সন্ধ্যা থেকেই ভবানীপুরে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ২০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।এছাড়া দুর্যোগ পরিস্থিতিতে কোনও ভোটার যদি ভোট দিতে যেতে না অসুবিধায় পড়েন সেক্ষেত্রে তিনি ১৯৫০ এই নম্বরে ফোন সাহায্য চাইতে পারবেন। সেক্ষেত্রে রিটার্নিং অফিসার বা সেক্টর অফিসার ওই ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে তাঁর ভোটদান কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া ও বাড়ি ফিরে দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। বুথে নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করার পাশাপাশি প্রচুর সংখ্যক পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিটি থানার নিরাপত্তার দায়িত্বে একজন করে ডেপুটি কমিশনার মর্যাদার পুলিশ কর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।আগামীকাল সকাল থেকে ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ৩৮টি জায়গায় থাকবে পুলিশ-পিকেট। শুধু ওই কেন্দ্রের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই নটি জায়গায় হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড মোতায়েন করা হচ্ছে। এ ছাড়া, থাকছে ২৩টি আরটি মোবাইল ভ্যান। ভবানীপুর ছড়াও বৃহস্পতিবার জঙ্গিপুরে ৩৬৩টি এবং সামশেরগঞ্জে ৩২৯টি বুথে ভোট নেওয়া হবে। এই তিন বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য ৫২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এরমধ্যে ভবানীপুরে ৩৫, জঙ্গিপুরে ১৮ এবং সামশেরগঞ্জে ১৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি এই তিন বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য দুজন পুলিশ পর্যবেক্ষক, দুজন সাধারণ পর্যবেক্ষক এবং দুজন সাধারণ পর্যবেক্ষক রয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

WB By Election: পুজোর পরই রাজ্যের বাকি চার কেন্দ্রে উপনির্বাচন, নির্ঘণ্ট ঘোষণা কমিশনের

পুজোর পরই বাকি থাকা উপনির্বাচনগুলো সম্পন্ন হবে। আগামী ৩০ অক্টোবর রাজ্যের বাকি চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। দিনহাটা, শান্তিপুর, খড়দহ ও গোসাবায় উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হল। ২ নভেম্বর ভোটের গণনা হবে। অর্থাৎ ভবানীপুর উপনির্বাচনের ঠিক এক মাস পর ভোটের দিন ঘোষণা হল। শুধু বাংলাই নয়, বাংলার বাইরেরও যে সমস্ত রাজ্যে উপনির্বাচন বাকি রয়েছে, সেগুলিও এই ৩০ অক্টোবরই হবে। একই সঙ্গে তিন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের তিন কেন্দ্রেও এদিনই ভোট হবে।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে রাজ্যে প্রথম গ্রেপ্তার লালা-ঘনিষ্ঠ ৪পশ্চিমবঙ্গের চার বিধানসভা কেন্দ্র গোসাবা, দিনহাটা, শান্তিপুর, খড়দহে ভোট হবে ৩০ অক্টোবর। একইসঙ্গে তেলঙ্গানা, রাজস্থান, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, মেঘালয়, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, কর্নাটক, হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, বিহার, অসম, অন্ধ্রপ্রদেশেরও একাধিক কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। পাশাপাশি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দাদরা ও নগর হাভেলি, মধ্যপ্রদেশ, হিমাচল প্রদেশের তিন লোকসভা কেন্দ্রেও ভোটগ্রহণ হবে এদিন। কমিশন সূত্রে খবর, পয়লা অক্টোবর থেকে শুরু হবে নোটিফিকেশন। ৮ অক্টোবর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ১১ অক্টোবর মনোনয়নের স্ক্রুটিনি। ১৩ অক্টোবর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। ৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন। ২ নভেম্বর ভোট গণনা। ৫ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে নির্বাচন প্রক্রিয়া। এই বিষয়ে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমরা নির্বাচনের বিরুদ্ধে নই। তবে আমরা চাই সঠিক সময়ে, সঠিক ভাবে নির্বাচন হোক। তবে যে চারটি কেন্দ্রে নির্বাচন হচ্ছে, সেই কেন্দ্রগুলোর বহু বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া। তারা কোনও রাজনৈতিক কাজে অংশগ্রহণ করতে পারছে না। ভবানীপুরের ঘটনাই সাক্ষী রাজ্যের এই আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতিতে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট সম্ভব নয়।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: 'আমায় খুনের চেষ্টা করা হয়েছে, স্থগিত করা দরকার ভবানীপুরের উপনির্বাচন'

সোমবার নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ভবানীপুরে। এদিন যদুবাবুর বাজারে দিলীপ ঘোষকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের সমর্থনে প্রচারে এসে কেন্দ্রীয় বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বিক্ষোভের মধ্যে পড়েন। প্রবল বিক্ষোভ আর ধাক্কাধাক্কিতে বাধ্য হয়ে বন্দুক বের করে দিলীপকে সরিয়ে নিয়ে যান তাঁর নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা। দিলীপ বলেন, আজ প্রচারের শেষ দিনে যেভাবে গুন্ডা দিয়ে, প্রচার বন্ধ করা হল, বিজেপিকে আটকাবার চেষ্টা করা হয়েছে, এর দ্বারা প্রমাণিত ভবানীপুরের মানুষ ভয়ের পরিস্থিতির মধ্যে আছেন। এখন এই গুন্ডাদের সামনে সাধারণ মানুষ কীভাবে বেরিয়ে গিয়ে ভোটটা দেবেন? তাঁরা তো নিরপেক্ষ ভাবে ভোটটা দিতেই পারবে না! তাঁরা যদি বিজেপিকে ভোট দেবে বলে তাহলে তো সম্ভবই নয়, বাড়ি থেকে বেরনো! সে জন্য যে পরিস্থিতির মধ্যে মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী করার জন্য ভোট করছে সরকার, তাতে সুরক্ষা দেওয়া উচিত। কিন্তু আজকের পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন সম্ভব নয়। স্থগিত করা দরকার। বলেন, আমি নিজে ভুক্তভোগী। তাই আমার অধিকার আছে বলার। দাবি করছি নির্বাচন বন্ধ হওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরে দিলীপের প্রচারে ধুন্ধুমার, মাথা ফাটল বিজেপি কর্মীরকয়েক দিন আগেই বিজেপির রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরেছেন দিলীপ। কিন্তু ভবানীপুরে ভোটের প্রচারে বিরোধী পক্ষের মূল টার্গেট হলেন তিনিই। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে থাকা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে এদিন হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের। আহত হন বেশ কয়েকজন। এদিকে খবর পেয়েই যদুবাবুর বাজারে পৌঁছন প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল এবং দীনেশ ত্রিবেদী, অর্জুন সিংরা।দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা তাঁদের প্রচারে বাধা দেন। তৃণমূল কর্মীদের আক্রমণে এক কর্মীর মাথা ফাটে। তাঁকেও ধাক্কা দেওয়া হয়। যদিও তার পরেও তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তার পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, স্থগিত করা দরকার এই ভোট। আইন পরিস্থিতি ঠিক হলে তার পর ভোট হোক। নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে এদিনের বিক্ষোভের ভিডিও পোস্ট করে দিলীপ লেখেন, মাননীয়ার খাস তালুক ভবানীপুরে একজন জনপ্রতিনিধির উপর যেভাবে হামলা হল এই রাজ্যে তাতে সাধারণ মানুষের জীবন কতটা সুরক্ষিত? আজ তৃণমূলের গুন্ডা দিয়ে ভবানীপুরের যদুবাবুর বাজার এলাকায় যে ভাবে পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করা হল, আমাকে মেরে ফেলার চক্রান্ত করা হয়েছিল সেটি শাসকদলের জঘন্য, ভয়াবহ রূপটিকে তুলে ধরে। এর পরও কি সুস্থ নির্বাচন আশা করা যায়??এদিকে এদিনের ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং সরাসরি অভিযোগ করেন মমতার নির্দেশেই দিলীপ ঘোষের ওপর এই হামলা হয়েছে। তাঁর কথায়, মমতা খোদ এই আক্রমণ করাচ্ছেন, ভোট এখানে হতেই দেবে না। কমিশন পদক্ষেপ না করলে ভোট বন্ধ হোক। একই সুর শোনা গিয়েছে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গলায়। বলেন, আমরা স্তম্ভিত! একশোজন তৃণমূল কর্মীকে ট্রেনড করে পাঠানো হয়েছে দিলীপ ঘোষকে আক্রমণের জন্য। আর পুলিশ কী করছিল?

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘যারা ব্যাট করবে, তারাই আম্পায়ার বাছবে?’ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল বুধবার। ২০২৩ সালের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের পদ্ধতি এবং কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুনানির সময় ক্রিকেটের আম্পায়ারের উদাহরণ টেনে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত।২০২৩ সালের আইনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি বাছাই কমিটি রয়েছে। সেই কমিটিতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় এই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতির থাকার কথা বলা হয়েছিল। পরে সংসদে নতুন আইন পাশ হওয়ার পর প্রধান বিচারপতির জায়গায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রাখা হয়।এই নিয়োগ পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে মূল বিষয়ে মতভেদ দেখা যায়। বিচারপতি দত্তের মতে, বিষয়টি আগের সাংবিধানিক নীতির ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে। অন্য দিকে বিচারপতি শর্মা মনে করেন, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মামলাটি বৃহত্তর সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি পাঠাতে দুই বিচারপতিই সম্মত হন।শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে ক্রিকেটের উদাহরণ দেন বিচারপতি দত্ত। তিনি বোঝান, কোনও দল যদি নিজেরাই আম্পায়ার বেছে নেয়, তা হলে সেই আম্পায়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিলেও তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আম্পায়ার নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করলেও তাঁকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে বলে ইঙ্গিত করেন বিচারপতি দত্ত। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, কমিশনের স্বাধীনতা শুধু বাস্তবে থাকলেই হবে না, সাধারণ মানুষের কাছেও সেই স্বাধীনতা দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।বিচারপতি দত্ত আরও প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধে যাবেন কি না। তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, এই পরিস্থিতিতে তিন সদস্যের কমিটিতে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এগুলি মামলার শুনানিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ; আদালত এখনও ২০২৩ সালের আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেনি।এই মামলার সূত্রেই ২০২৩ সালের আইন এবং তার আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী নিয়োগ ব্যবস্থার পার্থক্যও সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে সংসদ আইন না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে সংসদ আইন করে সেই কাঠামোয় পরিবর্তন আনে।এদিকে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যেই নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই শুনানি বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য সেই প্রতিবেদনে ওঠা মতবিরোধের দাবি নস্যাৎ করে জানিয়েছে, এসআইআর-সহ কমিশনের সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বর্তমান পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক প্রশ্ন, অন্য দিকে কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কদুই বিষয়ই একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। এখন নজর থাকবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে যাওয়ার পর এই মামলায় পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠিত হয় কি না এবং শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের নিয়োগ আইন নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিরাট খবর! মার্চের মধ্যে দেড় লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ

রাজ্যে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় খবর। বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহু পদ খালি পড়ে রয়েছে। কর্মীর সংখ্যা কম থাকায় একাধিক দপ্তরে কাজের চাপ বেড়েছে। সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মী ঘাটতির প্রভাব পড়ছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শূন্যপদ পূরণে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।এর আগে বিভিন্ন দপ্তরকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদগুলির মধ্যে কোন পদগুলি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছিল। সব শূন্যপদ একসঙ্গে পূরণ না করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।বুধবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পর সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতি পেতে চলেছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে। মোট ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদের মধ্যে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে ২০ হাজার পদ রয়েছে। রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ পূরণের কথা বলা হয়েছে।চলতি বছরে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের বাজেটেও বড় ঘোষণা হয়েছিল। জুনে পেশ করা ২০২৬-২৭ সালের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানানো হয়েছিল। তার মধ্যে পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ৫০ হাজার পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল।এখন বুধবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের যে খবর সামনে এসেছে, তাতে চাকরিপ্রার্থীদের নজর স্বাভাবিক ভাবেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরবর্তী সরকারি নির্দেশিকার দিকে। কোন দপ্তরে কত পদ, কোন পদে কী যোগ্যতা এবং নিয়োগের পদ্ধতি কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা সরকারি পদগুলি পূরণ হলে এক দিকে যেমন বহু চাকরিপ্রার্থী নিয়োগের সুযোগ পাবেন, অন্য দিকে সরকারি দপ্তরগুলির কর্মী ঘাটতিও কিছুটা কমতে পারে। তবে কবে থেকে আবেদন শুরু হবে এবং কোন কোন পদে ধাপে ধাপে নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সরকারি বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ধুঁয়াধার অ্যাকশনে রাহুল গান্ধী, মোদী সরকারের রক্তচাপ বাড়িয়ে এবার 'বিস্ফোরক' মন্তব্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা Special Intensive Revision (SIR) ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনের অন্দরে SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির খবর প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার কমিশনকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে রাহুলের দাবি, ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং সংবিধানের উপর সরাসরি আঘাত।রাহুল গান্ধী লেখেন, ভারতে ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আমাদের সংবিধানের উপর সরাসরি আক্রমণ। বিজেপি, আরএসএস এবং নির্বাচন কমিশন যারা এটি করেছে, তারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছে। ভিডিয়ো বার্তাতেও নির্বাচন কমিশন ও ভোট আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যা করছেন তা ভুল এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা সিংভিরএই বিতর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও নিশানা করেছেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার দেশের মানুষ এবং নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের বিভ্রান্ত করেছেন। সিংভির দাবি, নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়ার কথা হলেও কমিশনের অভ্যন্তরে এক ধরনের ইন্টারনাল বুলডোজার কাজ করছে।সিংভি আরও অভিযোগ করেন, একজন ব্যক্তির হাতেই যদি কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে থাকে, তাহলে বাকি নির্বাচন কমিশনারদের ভূমিকা কীসেই প্রশ্ন উঠছে। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি সংখ্যাগরিষ্ঠতাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।তদন্তের দাবি প্রিয়াঙ্কারবিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। নির্বাচন কমিশনাররাই যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রিয়াঙ্কার কথায়, এই বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন। এটিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।কী রয়েছে রিপোর্টে?বুধবার প্রকাশিত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি গত ১০ মাসে SIR এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে অন্তত ১৪ বার আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনের দাবি, একটি দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, Form 6-এ পরিবর্তন, ভোটার ডেটাবেসে অ্যাক্সেস কেন্দ্রীভূত করা, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার যুক্ত করার মতো বিষয় নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের অজ্ঞাতে নেওয়া হয়েছে বলেও দুই কমিশনারের তরফে আপত্তি জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া ভোটার সংক্রান্ত সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের বিষয়েও দুই কমিশনার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে চিঠিপত্র চালাচালির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন SIR নিয়ে কমিশনের অন্দরে কোনও বিভাজনের দাবি খারিজ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নোট, পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়া প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ এবং SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

'জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে পুরনো ভোটার তালিকায় বাংলায় ভোট', এবার মমতার তোলপাড় ফেলা দাবি, কিন্তু কেন?

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতারের দাবি তোলার পাশাপাশি পুরনো ভোটার তালিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ফের বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে মমতা অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য আপত্তি তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, এতদিন যে অভিযোগগুলি তৃণমূলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছিল, সাম্প্রতিক রিপোর্টে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন কমিশনের অন্দরে বিভাজন বা অনিয়মের অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছে, SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।একটি ভিডিয়ো বার্তায় জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে মমতা বলেন, তাঁর পদে থাকার কোনও নৈতিক অধিকার নেই এবং তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। এই দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনেরও ডাক দেন তিনি। মমতার অভিযোগ, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগমমতা আরও অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ কুমার পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজি না হলে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুরনো ভোটার তালিকায় পুনর্নির্বাচনের দাবিSIR নিয়ে সাম্প্রতিক রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে মমতা দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপি সংক্রান্ত তাঁদের অভিযোগ এখন আরও জোরালো হয়েছে। তাঁর দাবি, পুরনো ভোটার তালিকা ফিরিয়ে এনে বাংলায় নতুন করে নির্বাচন করতে হবে।মমতা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাঁর বক্তব্য, যতদিন জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে থাকবেন, ততদিন দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নিনির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ করে মমতা বলেন, এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিরোধী মতের মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কমিশনারদের মধ্যে নোট, পর্যবেক্ষণ বা প্রযুক্তিগত বিষয়ে মতামত বিনিময় প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ। SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতি ছিল বলেও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নওশাদের আইএসএফের প্রতীক হাতছাড়া, হাই কোর্টে উঠল কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় প্রশ্ন

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক খাম নিয়ে নতুন করে আইনি জট তৈরি হয়েছে। প্রতীকটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর দল। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানির পর নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।২০২১ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। দলটির প্রতিষ্ঠাতা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। শুরু থেকেই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন তাঁর ভাই নওশাদ সিদ্দিকী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে খাম প্রতীক নিয়ে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন নওশাদ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও ভাঙড় থেকে একই খাম প্রতীক নিয়ে লড়াই করে জয় পান নওশাদ। আইএসএফের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতীক দলের সঙ্গে যুক্ত। চলতি বছরের মার্চেও প্রতীকটি নিয়ম মেনে নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে।কিন্তু উপনির্বাচনের আগে পরিস্থিতি বদলে যায়। নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম প্রতীক বরাদ্দ করে। অন্য দিকে, আইএসএফকে দেওয়া হয় আলমারি প্রতীক। এই সিদ্ধান্তের পরই আপত্তি জানিয়ে কমিশনের কাছে চিঠি দেন নওশাদ। পরে প্রতীক ফিরে পাওয়ার দাবিতে হাই কোর্টে মামলা করে আইএসএফ।বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, একই প্রতীক কীভাবে দুটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। আদালতের প্রশ্ন ছিল, একই প্রতীক নিয়ে দুটি দল নির্বাচনে অংশ নেবে কীভাবে। এই বিষয়ে কমিশনের বক্তব্য জানার পাশাপাশি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আইএসএফের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে খাম প্রতীকটি আইএসএফ ব্যবহার করে আসছে। সেই প্রতীকই পরে অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, আইএসএফ একটি অনস্বীকৃত রাজনৈতিক দল এবং তাদের জন্য খাম কোনও সংরক্ষিত প্রতীক নয়। কমিশনের যুক্তি, এই ধরনের প্রতীক অবাধ বা মুক্ত প্রতীকের তালিকায় থাকলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তা অন্য দলকেও দেওয়া যেতে পারে।এই যুক্তির পরেই আদালত জানতে চায়, একই প্রতীক নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেবে কী ভাবে। বিষয়টি স্পষ্ট করতে কমিশনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে।প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে খাম প্রতীক নিয়ে আইএসএফ ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে আদালত এখনও প্রতীকটি আইএসএফকে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশ থেকে ফিরেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে’, নিশানায় বিজেপি

প্রায় তিন সপ্তাহ বিদেশে থাকার পর চোখের চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিষেক।দমদম বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জোর করে বাংলা দখল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিজেপির পরিস্থিতি সারা দেশেই খারাপ বলে দাবি করেন তিনি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অভিষেক আরও বলেন, সাংবিধানিক পদে বসিয়ে কোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তার ফল ভুগতে হবে। তাঁর কথায়, যাঁরা এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের ভবিষ্যতে জেলে যেতে হতে পারে। বিচারব্যবস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজের মতো করে চালানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ভোটার তালিকা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গও উঠে আসে অভিষেকের বক্তব্যে। যাঁরা ভোট দিতে পারেননি, তাঁদের চোখের জল বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভোটাধিকার নিয়ে যে কোনও অভিযোগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অন্দরমহল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফেরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও দুই কমিশনার প্রশ্ন তুলেছিলেন। ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ আরও কেন্দ্রীয়করণের বিষয়েও তাঁদের আপত্তি ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।নতুন ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ছয় নম্বর ফর্মে সংশোধন নিয়েও আপত্তির কথা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন ফর্মে আবেদনকারীর নিজের বা তাঁর বাবা-মা কিংবা দাদু-ঠাকুমার নাম আগের বিশেষ নিবিড় সংশোধনের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনারের তরফে অননুমোদিত এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানানোর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে নির্বাচন কমিশন এই ধরনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রকাশিত দাবিকে নস্যাৎ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন-সহ কমিশনের সমস্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত মতামত বা নথিতে কোনও প্রশ্ন তোলা হয়ে থাকলেও সেটিকে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূলের তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিষেকও এর আগে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি জানিয়েছিলেন। আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত করে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।অভিষেকের অভিযোগ ছিল, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যদি কোনও ভাবে বহু মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে, তা গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর বিষয়। তবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক দাবি হিসাবেই রয়েছে; নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করেনি।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যের লিখিত আপত্তির দাবি, অন্য দিকে কমিশনের সর্বসম্মতির বক্তব্যদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর বিদেশ থেকে চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরেই এই প্রসঙ্গে অভিষেকের কড়া মন্তব্য সেই বিতর্কে আরও রাজনৈতিক উত্তাপ যোগ করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়েই নির্বাচন কমিশনে বিস্ফোরণ! ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি দুই কমিশনারের

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধের দাবি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের আপত্তির মধ্যে নতুন ভোটারের নাম যোগ করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফের যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফর্ম ছয়ে পরিবর্তন আনা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। নতুন ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য এই ফর্ম ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি ফর্মে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু নতুন তথ্য চাওয়া হয়েছিল। সেখানে নতুন ভোটারকে জানাতে হত, আগের এসআইআরের ভোটার তালিকায় তাঁর নিজের, বাবা-মা অথবা দাদু-ঠাকুমার নাম ছিল কি না।সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনার অনুমোদনহীন এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল, সংশ্লিষ্ট নিয়মে পরিবর্তন না করে ফর্মে এই ধরনের নতুন তথ্য যোগ করা যায় কি না, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও ওই পরিবর্তন সরানো হয়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।শুধু ফর্ম ছয় নয়, ভোটার তালিকা তৈরির পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। দুই কমিশনার ভোটার তালিকা তৈরির তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা আরও বেশি কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ভোটার তালিকা তৈরিতে স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ভূমিকা ও ক্ষমতা কমে যাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একটি সিদ্ধান্ত ও নির্দেশিকা নিয়ে একই দিনে চার বার আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। তাঁদের একাধিক আপত্তির মধ্যে ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ছিল। এমনকি এই সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আমলার কাছেও বিষয়টি জানিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তবে এই প্রতিবেদনের মূল দাবিগুলি খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সূত্রের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে কোনও বিষয়ে লিখিত মতামত বা আপত্তি থাকা মানেই সেটি কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মতবিরোধ প্রমাণ করে না। কমিশনের দাবি, এসআইআর-সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছে।ফলে বর্তমানে বিষয়টি ঘিরে দুই ধরনের বক্তব্য সামনে এসেছে। এক দিকে সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দুই কমিশনারের একাধিক লিখিত আপত্তির দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিন সদস্যের মধ্যে কোনও মতবিরোধ ছিল না। এই দুই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তৃণমূলের তরফে গোটা বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে এটি তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ এবং এখনও এমন কোনও চূড়ান্ত প্রমাণ বা আদালতের রায় সামনে আসেনি যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছিল।এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। তার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই দুই কমিশনারের একাধিক আপত্তির এই দাবি সামনে আসায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে সত্যিই কোনও অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ছিল কি না, তা নিয়ে আপাতত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই পক্ষের দাবিই সামনে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

অনুদান নিলেই মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি? বীরভূমে বিতর্কের মাঝেই মুখ খুললেন দিলীপ

দুর্গাপুজোর আগে বীরভূমে সরকারি অনুদান এবং পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাঁইথিয়ায় দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে আয়োজিত একটি বৈঠকে বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো বাধ্যতামূলক। ছবি না লাগালে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি বলেন বলে অভিযোগ।মঙ্গলবারের ওই বৈঠকে উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়। পুজোর মুখে সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর বিষয়টি কীভাবে যুক্ত হল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিরোধীদের তরফেও এই মন্তব্যের সমালোচনা করা হয়।বিতর্কের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর কোনও নির্দেশ বর্তমান সরকার দেয়নি। তিনি দাবি করেন, আগের সরকারের আমলে এমন শর্ত দেওয়া হত। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীর ছবি না লাগালে অনুদান পাওয়া যেত না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, বর্তমান সরকার এই ধরনের কোনও নির্দেশ দেয়নি। তাঁর কথায়, পুজো কমিটিগুলি যেন ভালোভাবে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে। সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোকে বাধ্যতামূলক করার কোনও সরকারি সিদ্ধান্ত নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।দিলীপ ঘোষের সুরেই বক্তব্য রাখেন বিজেপির আর এক শীর্ষ নেতা সুকান্ত মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে সরকারের তরফে কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি অনুদান পাওয়ার সঙ্গে এই ধরনের কোনও শর্ত জুড়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলে তিনি জানান।প্রসঙ্গত, আগের সরকারের আমলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প এবং সরকারি প্রচারের ছবি দেখা যেত। কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, নিরাপদে গাড়ি চালানোর প্রচার-সহ নানা সরকারি বার্তা পুজোর মণ্ডপে তুলে ধরা হত। সেই প্রেক্ষাপটেই এবার মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।তবে বীরভূমের বিজেপি নেতার মন্তব্য এবং দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। এক দিকে জেলা স্তরের নেতার তরফে ছবি লাগানোর কথা বলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, অন্য দিকে দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, এমন কোনও সরকারি নির্দেশ নেই।ফলে সরকারি অনুদান নিলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো আদৌ বাধ্যতামূলক কি না, তা নিয়ে বিতর্ক আপাতত জিইয়ে রইল। বিষয়টি নিয়ে বিজেপির অভ্যন্তরীণ অবস্থান নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal